
স্কটল্যান্ডের বৃহত্তম শহর গ্লাসগো আজ (২৩ জুলাই) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন করছে। আগামী ২ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ১১ দিনের এই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসর, যেখানে কমনওয়েলথভুক্ত ৭৪টি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় তিন হাজার ক্রীড়াবিদ অংশ নিচ্ছেন।
এটি গ্লাসগোর দ্বিতীয়বারের মতো কমনওয়েলথ গেমস আয়োজন। এর আগে ২০১৪ সালে সফলভাবে এই আসরের আয়োজক ছিল শহরটি। ২০২৬ সালের গেমস মূলত অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ায় হওয়ার কথা থাকলেও ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা সরে দাঁড়ালে গ্লাসগো আয়োজক হওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করে। খরচ কমাতে এবার তুলনামূলক ছোট পরিসরে গেমস অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এবারের আসরে মোট ১০টি ক্রীড়া ডিসিপ্লিন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাথলেটিক্স, সাঁতার, বক্সিং, জুডো, নেটবল, ট্র্যাক সাইক্লিং, ভারোত্তোলন, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস, বোলস এবং ৩x৩ বাস্কেটবল। পাশাপাশি ছয়টি প্যারা-স্পোর্টও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকেট, হকি, ব্যাডমিন্টন ও কুস্তির মতো জনপ্রিয় ইভেন্ট এবার রাখা হয়নি, যা বিশেষ করে ভারতসহ কয়েকটি দেশের পদক সম্ভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিযোগিতাগুলো গ্লাসগোর বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করে সীমিত কয়েকটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে স্কটস্টাউন স্টেডিয়াম, টলক্রস ইন্টারন্যাশনাল সুইমিং সেন্টার, গ্লাসগো ইন্টারন্যাশনাল অ্যারিনা এবং স্কটিশ ইভেন্ট ক্যাম্পাস (SEC)।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, আগের আসরগুলোর তুলনায় ব্যয় কমিয়ে আরও টেকসই ও বাস্তবসম্মত মডেলে গেমস আয়োজনের লক্ষ্য নিয়েই এবার এগোনো হয়েছে। তবে ছোট পরিসরের হলেও বিশ্বমানের প্রতিযোগিতা উপভোগ করবেন দর্শকরা এবং গ্লাসগো আবারও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে।