যুক্তরাজ্য

৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৩:০১
আরও খবর

মুখের সঙ্গে প্রভিশনাল লাইসেন্সের ছবি না মেলায় পরীক্ষার দিন বাতিল ড্রাইভিং টেস্ট

13482_53344030-eb11-11f0-992c-75363ad17690.jpeg

ইংল্যান্ডের হ্যাম্পশায়ারের বেসিংস্টোক এলাকায় ড্রাইভিং পরীক্ষার দিন এক অপ্রত্যাশিত ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন এক শিক্ষার্থী। পরীক্ষকের দাবি ছিল, তার মুখের সঙ্গে প্রোভিশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্সের ছবির মিল নেই। এই কারণ দেখিয়ে তাকে পরীক্ষা দিতে না দিয়েই ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে “বিভ্রান্তিকর” বলে বর্ণনা করেছেন শিক্ষার্থী নিজেই।

হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ইয়িন চিয়ং উইলিয়াম শেন প্রায় আট মাস অপেক্ষার পর নিজের বাসার কাছেই ড্রাইভিং টেস্টের তারিখ পেয়েছিলেন। কিন্তু গত নভেম্বর মাসে পরীক্ষার দিন পরিচয়পত্র যাচাইয়ের সময় পরীক্ষক হঠাৎ তার লাইসেন্সের ছবির সঙ্গে মুখের মিল নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শেন জানান, পরিচয়পত্র হাতে নেওয়ার পর পরীক্ষকের মুখে বিস্ময়ের ছাপ ফুটে ওঠে এবং তিনি বলেন যে ছবির সঙ্গে তার মুখের মিল নেই। এরপর কোনো আলোচনা ছাড়াই পরীক্ষাটি বাতিল করে সেখান থেকে চলে যান পরীক্ষক।

এই সিদ্ধান্তে চরম বিভ্রান্তির কথা জানিয়েছেন শেন। তিনি বলেন, এর আগে একই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কোনো সমস্যায় পড়েননি, এমনকি থিওরি টেস্টও দিয়েছেন নির্বিঘ্নে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, লাইসেন্সের ছবিটি তার পাসপোর্টের ছবির সঙ্গেও একই, যা ব্যবহার করে তিনি চলতি বছর বিদেশ ভ্রমণও করেছেন।

ঘটনায় বিস্মিত হয়েছেন শেনের ড্রাইভিং প্রশিক্ষক স্টিফেন ল্যাম্বার্টও। প্রায় ২৮ বছরের পেশাগত জীবনে এমন ঘটনা কখনো দেখেননি বলে জানান তিনি। তার মতে, লাইসেন্সের ছবিতে চোখ, কান ও মুখাবয়ব সবই শেনের সঙ্গে মিলে যায়। পরীক্ষায় পাস বা ফেল নয়, বরং শুধুমাত্র চেহারার ভিত্তিতে পরীক্ষা বাতিল করাকে তিনি অপমানজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

এদিকে বিষয়টি তদন্তের পরও ড্রাইভার অ্যান্ড ভেহিকল স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সি (ডিভিএসএ) পরীক্ষকের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। সংস্থাটি শেনকে কোনো রিফান্ড বা বিনা খরচে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ডিভিএসএ তাদের চিঠিতে জানিয়েছে, আইন অনুযায়ী পরীক্ষার শুরুতে পরীক্ষার্থীকে সন্তোষজনক পরিচয়পত্র দেখাতে হয় এবং পরীক্ষক যদি সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট না হন, তাহলে পরীক্ষা গ্রহণ না করার অধিকার তার রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত


আরও খবর
ভিডিও