
জামায়াত নেতৃত্বধীন ১১-দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও হামিদুর রহমান আযাদকে মন্ত্রী বানানোর ঘোষনা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গত শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের এক নির্বাচনী জনসমাবেশে জামায়াত আমির বলেন, ১১-দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে জামায়াতের নায়েবে আমির ও ওই আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে মন্ত্রী পরিষদের সিনিয়র সদস্য করা হবে বলে ঘোষনা দেন।
এরপর আজ সোমবার ২ ফেব্রুয়ারি, কক্সবাজারের মহেশখালীতে আরেক নির্বাচনী জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান মহেশখালী–কুতুবদিয়া আসন থেকে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ নির্বাচিত হলে তাকেও সরকারে একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতে পারে জানান। তিনি বলেন, হামিদুর রহমান আযাদ ওই অঞ্চলের মানুষের অধিকার আদায়ের সাহসী কণ্ঠস্বর।
এভাবে দুই প্রার্থীর নাম প্রকাশ্যে ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে—তাহলে বাকীরা কারা? ১১-দলীয় জোট সরকার গঠন করলে জামায়াত কিংবা শরিক অন্যান্য দল থেকে আর কোন নেতারা মন্ত্রী পরিষদে জায়গা পেতে পারেন, তা নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরার কৌশলের মাধ্যমে জামায়াত সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ভোটের মাঠে বাড়তি প্রভাব তৈরির চেষ্টা করছে। তবে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা নিয়ে এখনো দল বা জোটের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
সব মিলিয়ে, দুই মন্ত্রীর নাম ঘোষণার মধ্য দিয়ে ১১-দলীয় জোটের ক্ষমতা–ভাবনা আংশিকভাবে সামনে এলেও, ‘বাকীরা কারা’—এই প্রশ্নের উত্তর এখনো খোলা রয়ে গেছে।