বাংলাদেশ

কুমিল্লা ট্র্যাজেডি: স্ত্রী-সন্তান নিহত হলেও যেভাবে বাঁচলেন স্বামী

14804_IMG_7995.jpeg

ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ড থেকে শনিবার সন্ধ্যা ছয়টায় স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে দিয়ে রওনা দিয়েছিলেন পিন্টু ইসলাম। ঢাকায় আসার পর রাত এগারোটায় প্রবাস ফেরত শ্যালককে রিসিভ করতে বিমানবন্দরে যাওয়ার জন্য ঢাকার সায়দাবাদ বাসস্ট্যান্ড নেমে পড়েন। তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামার কথা ছিলো লক্ষ্মীপুর বাসস্ট্যান্ডে । কিন্তু শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। তাদের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর পৌরসভার পাতিবিলা গ্রামে ।

নিহতরা হলেন, মহেশপুর পাতিবিলা গ্রামের পিন্টু ইসলামের স্ত্রী লাইজু আক্তার (২৬), দুই মেয়ে মরিয়ম (৩) , খাদিজা (৬) ।

 

লাশ নিতে এসে পিন্টু ইসলাম বলেন, আমরা একসাথে ঝিনাইদহ থেকে রওনা দিয়েছিলাম । আমি ঢাকায় গাড়ি থেকে নেমে যাই । বিদেশ থেকে আমার শালা সকাল ১১টায় ঢাকা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল । আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে ফোন করে বলেছিলাম তাদেরকে লক্ষ্মীপুর থেকে রিসিভ করার জন্য । রাত দুইটার দিকে লাইজুর সাথে আমার শেষ কথা হয়েছিল ।

 

তিনটার পর লাইজুকে আমি আর ফোনে পাইনি পরে জানতে পারি কুমিল্লায় বাস দুর্ঘটনা ঘটেছে । তারপর আমি কুমিল্লায় আসি এসে দেখি আমার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে বাস দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন । আমার সব শেষ হয়ে গেছে ।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও