
যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভুয়া তথ্য দিয়ে আশ্রয় পাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে বড় ধরনের তদন্ত শুরু করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র বিভাগ।
বিবিসির এক গোপন অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায়, কিছু অভিবাসী নিজেদের সমকামী দাবি করে আশ্রয়ের আবেদন করছেন। পরে তাদের কয়েকজন স্বীকার করেন, বাস্তবে তারা সমকামী নন।
ঘটনার পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র বিভাগ। পূর্ব লন্ডনে অভিযান চালায় ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের অপরাধ ও আর্থিক তদন্ত টিম।
অভিযানে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চল্লিশোর্ধ্ব এক নারীকে অবৈধভাবে অভিবাসন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়। এছাড়া কুড়ির কোঠার এক যুবককে প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতা ক্রিস ফিলিপ। তিনি বলেন,
“শুধু কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। অবৈধভাবে দেশে প্রবেশকারীদের আশ্রয় আবেদন বন্ধ করতে হবে এবং দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
অন্যদিকে অভিবাসনমন্ত্রী মাইক ট্যাপ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ভুয়া তথ্য ও প্রতারণামূলক পরামর্শ প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ক্ষতিকর এবং পুরো আশ্রয়ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সত্যিকারের নির্যাতনের শিকার হয়ে যারা আশ্রয় চান, তাদের অধিকার রক্ষা করতে হলে এ ধরনের প্রতারণা কঠোরভাবে দমন করা জরুরি।