
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক দল রিফর্ম ইউকের ডেপুটি লিডার রিচার্ড টাইস স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট তথ্য যথাযথভাবে ঘোষণা না করার অভিযোগে স্ট্যান্ডার্ডস কমিশনারের তদন্তের মুখে পড়েছেন। অভিযোগটি সংসদীয় আচরণবিধি লঙ্ঘনের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে জানা গেছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওয়েস্টমিনস্টার হলে ইহুদিবিদ্বেষ (অ্যান্টিসেমিটিজম) বিষয়ক আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার সময় ইসরায়েল-সংক্রান্ত একটি স্বার্থের বিষয় যথাযথভাবে ঘোষণা না করার অভিযোগে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে স্ট্যান্ডার্ডস কমিশনার বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
রিচার্ড টাইসের বিরুদ্ধে এই তদন্ত এমন সময় শুরু হলো, যখন রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজও আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে চাপের মুখে রয়েছেন।
এর আগে থাইল্যান্ডভিত্তিক ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসায়ী ও ধনকুবের ক্রিস্টোফার হারবোর্নের কাছ থেকে পাওয়া ৫০ লাখ পাউন্ডের একটি উপহার যথাসময়ে ঘোষণা না করার অভিযোগে নাইজেল ফারাজের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছিল। তবে তিনি সংসদ সদস্যের পদ ছেড়ে দেওয়ায় সেই তদন্ত স্থগিত রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে তিনি পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে তদন্তটি আবারও চালু করা হবে।
রিচার্ড টাইসের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তের বিষয়ে এখনো স্ট্যান্ডার্ডস কমিশনার কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংসদীয় আচরণবিধি অনুসারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে, রিফর্ম ইউকের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক এই ঘটনায় রিফর্ম ইউকের শীর্ষ নেতৃত্বের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।