
নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার কলাবাড়িয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকান্দিপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত রাসেল শেখকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন- সোহেল মেম্বারের পক্ষের মো. রাসেল শেখ (৩০), মো. হাসান শেখ (৪০), মো. মতি মল্লিকসহ (৫০) ৮ জন রয়েছেন। অপরদিকে আবেদ আলী শেখের পক্ষের মো. সেলিম শেখ (৪০), মো. আজিম গাজি (২৫) ও মো. কালন শেখ (৪৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহেল মেম্বার ও আবেদ আলী শেখের পক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে বুধবার সকাল ৭টার দিকে সোহেল মেম্বরের পক্ষের লোকজন আবেদ আলী শেখের পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয়পক্ষই গুলি ছোড়ে। এতে দুই পক্ষের ১১ জন আহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহতদের খুলনা ও ঢাকায় পাঠানো হয়।
আবেদ আলী শেখের পক্ষের শামিম শেখ গণমাধ্যমকে বলেন, “সোহেল গ্রুপের দেড় থেকে দুইশ লোকজন সকালে আমাদের বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় আমাদের লোকজনের ওপর গুলি ছোড়া হয়। আমাদের তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”
নড়াগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হোসেন আলী গণমাধ্যমকে বলেন, “দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।”