বাংলাদেশ

ময়মনসিংহে দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের

17102_IMG_0771.jpeg

ময়মনসিংহ নগরীর আকুয়া বাইপাস সড়কের গন্দ্রপা এলাকায় বাসের চাপায় অটোরিকশার নিহত ৭যাত্রীর মধ্যে চারজন একই পরিবারের।এ সময়ে সাতজনের মধ্যে একই পরিবারের চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর দেড় টার দিকে নগরীর আকুয়া বাইপাসের গন্দ্রপা এলাকায় জামালপুর থেকে ঢাকাগামী ‘রাজীব পরিবহন’-এর একটি বাস আকুয়া বাইপাস সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা মুক্তাগাছাগামী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষের সময় বাসের চাপায় অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালকসহ সাতজন নিহত হন।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান শাকিল জানান, নিহত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তারা জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং একই পরিবারের সদস্য।

শনাক্ত হওয়া চারজন হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার নান্দিনা এলাকার দড়ি হামিদপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০), তাঁর মা রাশিদা বেগম (৭০), মেয়ে মর্জিনা (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনাল (৫)। তাঁরা গাজীপুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। নিহত অপর তিনজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।তবে তাদের সঙ্গে থাকা মুঠোফোনসহ বিভিন্ন সূত্রের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালান। পরে মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণে আকুয়া বাইপাস সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, উভয় যানবাহনের অতিরিক্ত গতির কারণে কেউ কাউকে সাইড দিতে না পারায় সংঘর্ষটি ঘটে।তাৎক্ষণিক পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

তিনি আরও বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের ব্যবস্থা করা হবে।

ওসি জানান, দুর্ঘটনার পর অটোরিকশাটি জব্দ করা হলেও বাসটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে পুলিশ বাসটি আটক করে। পুলিশের রেকার দিয়ে বাসটি জব্দ করে রাখা হয়েছে। তবে বাসের চালক ও সহকারীকে পাওয়া যায়নি। তারা বাস রেখে চলে গেছেন। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও