মধ‍্যপ্রাচ্য

ইসরায়েলের মহাকাশ গবেষণা স্থাপনায় ইরানের হামলা

14806_IMG_8005.jpeg

ইসরায়েলের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজের (আইএআই) স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। তবে এ হামলার পর তাৎক্ষণিক ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

রোববার (২২ মার্চ) ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থাকে দেয়া এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের দাবি, তাদের ড্রোনগুলো ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে অবস্থিত আইএআই-এর স্থাপনাগুলোতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা

গুরুত্বপূর্ণ এ স্থাপনা ছাড়াও সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে থাকা একটি মার্কিন নজরদারি বিমানেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। তবে এই হামলার প্রকৃতি বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়া হয়নি।

ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বা প্রতিবাদ আসেনি। আলজাজিরা জানিয়েছে, তারা এই হামলার খবরের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি।

ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (আইএআই) দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মেরুদণ্ড হিসেবে পরিচিত। উন্নত ড্রোন ও মিসাইল সিস্টেম তৈরি করার কাজে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

এদিকে ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হলে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

রোববার এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, পারমাণবিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হলে হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি’ বন্ধ করে দেয়া হবে এবং এসব স্থাপনা পুনর্নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত তা পুনরায় খুলে দেয়া হবে না।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো আক্রান্ত হলে পাল্টা হিসেবে ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র, জ্বালানি স্থাপনা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ব্যাপক হামলা চালানো হবে। একই সঙ্গে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারিত্ব থাকা কোম্পানিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করার হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া যেসব দেশে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, সেসব দেশের বিদ্যুৎকেন্দ্রকেও সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছে আইআরজিসি।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও