মধ‍্যপ্রাচ্য

ইরানের আলোচক দলের প্রধান গালিবাফের পদত্যাগ

15181_IMG_1334.jpeg

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচক দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ করেছেন। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের মধ্যে জেরে তার এমন সিদ্ধান্তের সামনে এসেছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় পারমাণবিক ইস্যু অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করায় তাকে ভর্ত্সনা করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে কট্টরপন্থি নেতা সাঈদ জালিলির নাম আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও নিজে এই আলোচনার নেতৃত্ব নিতে আগ্রহী রয়েছেন।

এদিকে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় বড় অগ্রগতি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানে আসছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পাকিস্তানের একটি সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হওয়ার অনেক বেশি রয়েছে। কারণ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আজ রাতেই পাকিস্তানের রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে আজ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। বিষয়টি যা উভয় পক্ষই নিশ্চিত করেছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় তারা আঞ্চলিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপের প্রেক্ষাপটে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আলোচনায় ইসহাক দার দীর্ঘমেয়াদি সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন। আর আরাঘচি পাকিস্তানের ধারাবাহিক ও গঠনমূলক সহায়ক ভূমিকার প্রশংসা করেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, আরাঘচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও আলাদাভাবে ফোনে কথা বলেছেন। তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা এ ধরনের কোনো কথোপকথনের বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। ইসলামাবাদ থেকেও সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে আরাঘচির কথাবার্তার কোনো স্বাধীন নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।

এর আগে সপ্তাহের শুরুতে অন্তত নয়টি মার্কিন বিমান ইসলামাবাদে আসে। এসব বিমানে যোগাযোগ সরঞ্জাম, যানবাহন, নিরাপত্তাকর্মী এবং প্রযুক্তিগত কর্মী নিয়ে আসা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও