সারা বিশ্ব

যেভাবে খামেনিকে খুঁজে হত্যা করা হলো

14481_IMG_5238.jpeg

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে লক্ষ্য করে হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা সমন্বয় ছিল বলে জানা গেছে।

অভিযান সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) কয়েক মাস ধরে খামেনির অবস্থান ও চলাফেরা নজরদারিতে রেখেছিল। সম্প্রতি তারা জানতে পারে, শনিবার সকালে তেহরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ কমপ্লেক্সে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হবে এবং সেখানে খামেনিও উপস্থিত থাকবেন।

এই তথ্য পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলার সময় পরিবর্তন করে। প্রথমে রাতের হামলার পরিকল্পনা থাকলেও নতুন গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগাতে শনিবার সকালেই আঘাত হানা হয়।

ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন করে এবং তেহরান সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। ওই কমপ্লেক্সে প্রেসিডেন্ট, সর্বোচ্চ নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কার্যালয় রয়েছে বলে জানা যায়।

সূত্রগুলোর দাবি, সিআইএর দেওয়া খুবই নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতেই হামলা চালানো হয়। গত বছরের সংঘাতের পর ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের গতিবিধি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আরও বিস্তারিত তথ্য ছিল, যা এবার কাজে লাগানো হয়।

হোয়াইট হাউস ও সিআইএ এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, হামলায় কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ প্রস্তুতি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়েই এই অভিযান সম্ভব হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত


ভিডিও